ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ , ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু  প্রধান শিক্ষক নিয়োগে ভাইভা নিতে আইনি বাধা নেই এবছর পদার্থে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন ফ্যামিলি কার্ডে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত হতে পারে: বিশ্বব্যাংক চার দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত দামে এলপিজি না মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা ১৫০ বাংলাদেশিকে কাশ্মীর থেকে আটকের দাবি ভারতের ঢাকায় লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার বদলি শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপূজায় মিলছে টানা ৫ দিনের ছুটি ডেঙ্গুতে ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৯০২ শিক্ষকদের মর্যাদা রাষ্ট্রের মর্যাদার সাথে জড়িত: প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর মামলায় গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় কোনো অবহেলা সহ্য করা হবে না: বিমানমন্ত্রী ইনুর ১০ বছরের সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এবার লালনের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তান-ভারত সংঘাত নিরসনে ফের নিজের ভূমিকা সামনে আনলেন ট্রাম্প

  • আপলোড সময় : ১০-০৮-২০২৫ ০২:৪২:১৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১০-০৮-২০২৫ ০২:৪২:১৯ অপরাহ্ন
পাকিস্তান-ভারত সংঘাত নিরসনে ফের নিজের ভূমিকা সামনে আনলেন ট্রাম্প
পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার সংঘাত নিরসনে ফের নিজের ভূমিকার কথা সামনে এনেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তার মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে সংঘাত মিটে গিয়েছিল।একইসঙ্গে দুই দেশকে যুদ্ধ নয়, বরং বাণিজ্যে মনোযোগ দিতে তিনি উৎসাহিত করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন মার্কিন রিপাবলিকান এই প্রেসিডেন্ট। শনিবার (৯ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার নেতাদের নিয়ে এক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “বাণিজ্যের মাধ্যমেই আমি ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতের বিষয়টা মিটিয়ে ফেলেছি। আমার মনে হয় বাণিজ্যই সবচেয়ে বড় কারণ ছিল। এভাবেই আমি এতে যুক্ত হয়েছিলাম।”



বৈঠকের পর দুই দেশ শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে, আর সেখানেও ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য বলে প্রশংসা করা হয়। মূলত এই পুরস্কারের ব্যাপারে তিনি নিজেও প্রকাশ্যে আগ্রহী।ট্রাম্প জানান, গত মে মাসে তিনি পাকিস্তান ও ভারতের নেতাদের ফোন করে বলেছিলেন, তিনি এমন দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে চান না, যারা নিজেদের এবং হয়তো বিশ্বকেও ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, “ওরা পারমাণবিক শক্তিধর দেশ”।পাকিস্তান-ভারত সংঘাত মেটানোকে তিনি “বড় সাফল্য” বলেও উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, “ওরা তখন একে অপরের বিমান ভূপাতিত করছিল, পাঁচ-ছয়টা বিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। পরিস্থিতি সেখান থেকে ভয়াবহ রূপ নিতে পারত।”




গত মে মাসে চার দিনের পারস্পরিক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান হামলায় অন্তত ৬০ জন নিহত এবং হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। আর এই যুদ্ধবিরতি ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন। প্রায় তিন দশকের মধ্যে এটিই ছিল ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত।




পাকিস্তান দাবি করে, তারা অন্তত পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যার মধ্যে তিনটি রাফাল ফাইটার জেট ছিল। এই যুদ্ধে প্রায় ৩০টি পাকিস্তানি ও ৭০টি ভারতীয় বিমান অংশ নেয়। প্রথমে ভারত বিমান হারানোর কথা অস্বীকার করলেও পরে তারা স্বীকার করে যে পাকিস্তান কিছু যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে।




ট্রাম্প বারবার তার প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে পাকিস্তান ও ভারতকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করানোর জন্য দুই দেশের নেতাদের প্রশংসা করেছেন। কিন্তু নয়াদিল্লি ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা অস্বীকার করেছে। ইসলামাবাদ অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে কৃতিত্ব দিয়ে তাকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে।সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদে বলেছেন, পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধবিরতিতে ট্রাম্পের কোনও ভূমিকা ছিল না। বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী তাকে চ্যালেঞ্জ জানালে মোদি বলেন, “কোনও বিশ্বনেতা আমাদের অভিযান থামাতে বলেননি”।
এছাড়া ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গত মাসে সংসদে বলেন, “চাপের কারণে সামরিক অভিযান থেমেছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন।



ট্রাম্প ও তার প্রশাসন ৩০ বারের বেশি দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি করিয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও একই দাবি করে বলেন, “আমরা সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছিলাম, আর প্রেসিডেন্ট শান্তি নিশ্চিত করতে পেরেছেন।”
তিনি ট্রাম্পকে “শান্তির প্রেসিডেন্ট” আখ্যা দিয়ে বলেন, তার নেতৃত্বে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান ও কঙ্গো-রুয়ান্ডা সংঘাতেও কূটনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে।

কমেন্ট বক্স
সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার

সরকারি চাকরির নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না: ডেপুটি স্পিকার